বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ১৯৯৮

কথোপকথনঃ স্বগতঃ

: কাল রাতে আকাশে কোন চাঁদ ছিল না
চারিদিকে তারাগুলোকে মনে হচ্ছিল,
কালো ছাতার অসংখ্য ফুটোর মতো
যদি তখন তোমাকে দেখতে পেতাম
তাহলে নিঃশ্বাসটাকে আর আটকে রাখতাম না
তাহলে এই বারো বাই বারো ফুট ঘরটাকে মনে হতো-
স্বর্গের তিলোত্তমা প্রাসাদ।


: জানো, মাঝে মাঝে ইচ্ছা হয়, ঐ উষ্ণ হাতের পরশ
নিজের হাতদুটো দিয়ে ধরে রাখতে।
ইচ্ছে হয়, ঐ অনিন্দ্যসুন্দর চোখ দুটো
নিজের মনের চোখে সারাজীবনের সূর্য বানিয়ে নিতে।


: আজ রাতে আকাশে দেখা দিয়েছে-
ডিঙ্গি নৌকার মতো, সাদা একফালি চাঁদ
আর আমি সেই ঘরের লালচে নীল আলোতে
তোমার কথা ভাবছি--


: হয়তো প্রতিটা মানুষের জীবনে একটা সূর্য আছে
যে সূর্যের সূর্যাস্ত নেই, নেই মধ্যদুপুরের
ঝিম ধরানো রোদ। আছে নরম, আমেজী আলো
মাঠভরা শিশিরভেজা ঘাসে আলোর স্বর্ণবিন্দু।


: আমার মনের বারান্দায় আমি তোমার
পদধ্বনি শুনতে পাই--
কিন্তু এক পদশব্দ আর তার হাজার প্রতিধ্বনি
আমার কানে বাজে, আমি অপেক্ষায় রই--
তোমার--------
তুমি আসো, আবার চলে যাও
সাথে নিয়ে যাও ইচ্ছের ঝাঁপি-- অপূর্ণ
ইচ্ছেগুলোকে বাস্তবতার পাথরচাপা দেই।


: আর আমার মনের সেই সূর্য --
ঢাকা পড়ে ঈশানী-হতাশার মেঘে।
সেই অন্ধকারে ডুবে আমি বিষণ্নতার স্পর্শ পাই,
আমি জেগে উঠতে চাই
কিন্তু যেন আরো অতলে তলিয়ে
বহুদুরের ফেরারী হই।
এই গ্যাজেটে একটি ত্রুটি ছিল