মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ১৯৯৯

প্রশ্ন

হলুদ আলোয় ভরা এক সিঁড়িতে
সিঁড়ির তৃতীয় ধাপে দাঁড়িয়ে,
নির্দোষ আহ্বানে তাকে ডাকলাম কাছে,
ইতস্তত পদবিক্ষেপে কাছাকাছি হয়ে তার প্রশ্ন-
"কি?"

মনের অন্ধকার স্যাঁতস্যাঁতে গলি থেকে
যে প্রশ্নটা হামাগুঁড়ি দিয়ে বেরোলো - তার
মুখাবয়ব অচেনা না হলেও, কেমন যেন
ভয় লাগল প্রশ্নটাকে। হয়ত সেজন্য
নিজের কাছে না রেখে সেটা ছুঁড়ে দিলাম তার দিকে।

বিস্ময়ানুভূতির প্রাথমিক ধাক্কা কাটতেই
সেই হলুদ সিঁড়িধাপ থেকে সে
অবনতিপূর্বক; নিষ্ক্রান্ত হলো।
হয়ত এতেই সে মুক্তির পথ পেয়েছিল।

কিন্তু জগতের সকল পুনরাবৃত্তির ন্যায়
সে ফিরে এলো সেই হলুদাভ সিঁড়িতে-
সেখানে আমি না থাকলেও-
ছিল প্রশ্নের কর্তাকারক।
পরবর্তী কতগুলো মুহূর্তে তার হাতে
জমা হলো ভাঁজকরা কাগজ, যাতে লেখা
একজনের দ্রবীভূত আর আরেকজনের
বাষ্পীভূত হওয়ারই ঘোষণা!

একজন নির্লজ্জ চশমখোর
এই কবিতার লেখক হওয়ায়
নির্লজ্জের মতই তার কাছে পুনরায় প্রশ্ন করি
এবারেরটাকে তো চেনাচেনা লাগছে।

প্রশ্নটা হলো...
আরে! পুনরায় তার নিকট আর কোন
প্রশ্ন করার অবকাশ নেই
কারণ সে মোর বড় আপন ছিল,
কিন্তু এখন বহুদূরের।
এই গ্যাজেটে একটি ত্রুটি ছিল