শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০০৯

দাবাখেলার সাথী


আমার ঘুম ভাঙে না- রোজ, ঘুমের ভেতর আমি প্রতিদিন
উল্টে ফেলি দাবার দান। রাজা-মন্ত্রি-সেনা-গজ
সকলে গজগজ
করতে করতে প্রজাপালনে যায়।
হায়
বেমালুম ভুলে থাকা প্রজারা পৈতে পায়,
কিছুটা সময়। এরাজ্যে এখন রাজা একজন,
বাকিরা সকল সভাসদ সেজে,
দাঁত মেজে
খুব পরিপাটি হয়েই নিমন্ত্রণে...
পাওয়া, না-পাওয়া এ আহ্বানে সাড়া দেয় তারা সকলে,
সদলবলে।


দেখো
দাবা থেকে আমি সামিয়ানা তলে
এসেছি চলে কী অবলীলে!
এটা ঠিক নয় পাঠক মহাশয়,
তোর জারুজুরি ফাঁস হবার ভয়
(কেবলই খেলছে মনে, জানি অবচেতনে)।
সে শঙ্কা ভয় আমারও হয়,
তবু ঝেড়ে ফেলে মন দেই এ লেখায়,
পড়তে তো বেশ লাগছে মন্দ নয়!


ভিনদেশ থেকে দু'ট্রুপ এসেছে, সামরিক সেনা
কানা খোঁড়া পা-হাত নিয়ে, বইতে বইতে।
বিভীষন হতে শিক্ষা নিয়েছে
এযুদ্ধভার সইতে সইতে
শিখেছে তারা ন্যায় অন্যায় হিসেব নিকেশ
বড়ো অপচয়, ঝরে গেল কেশ,
ক্যালকুলেটর, কম্পু বলেন তবেরে!
পামর।


হিসেব-মূর্খ গুনে দ্যাখ ফের
ক'জন গেছিলো যুদ্ধে
এবং
ফিরে এলো সব নিয়ে
প্রাণটা নিয়ে
যে এই হলো ঢের!

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই গ্যাজেটে একটি ত্রুটি ছিল