সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০০৯

পতনের খবর বিষয়ক বিভ্রম

| | ট্রেনের চাকার সাথে সে পড়ছে | |
এটাই সংবাদ ছিল। শিরোনাম ও সংবাদটি একটি লাইনেই
বিবৃত। পরের কথাগুলো অজরুরি, অনুক্ত। শুধু খবরটি জানা গেলোঃ
সে পড়ছে।
ঘূর্ণায়মান চাকার ভেতরের আঁকিবুকি মুছে গেছে
দ্রুতগতিতে- আর সে পড়ছে, পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে
পড়ে যাচ্ছে মাটিতে। চোখে দেখা দৃশ্যঃ সে উঠে আসছে
চোখ বলে এক, মন বলে ভুল। পতনের শব্দ নির্ভুল।
শব্দহীন।
যে ব্যথাগুলো আজীবন পতনের সাথে জড়িত,
তারা জানেও না কবে প্রথম এই অযাচিত পতন,
ত্বকের গহীনে বসবাস শুরু করেছে। কেবল প্রতিক্রিয়ার মতো
ফুটে ওঠা বা জেগে ঘুমিয়ে থাকা, মরণঘুমের ভান।
ক্রিয়ার পরিচয় তখনও জানা যায় না, প্রতিক্রিয়া বুঝে বুঝে ক্রিয়া
চিনতে হয়, সময় সময়। এই পরিচয়পত্রটি ছাড়াও
বেশ ভুলে থাকা যায় এমন স্বরূপ, মাছের মত।


-ক্রিয়াপদ জ্ঞাত ছিল। ডিজওর্ডারমূলক। তা খানিকটা বৈসাদৃশ
মনে হয়।


এই জ্ঞাত শব্দের শরীরে পতনের রাশি রাশি সূত্রাবলি লেখা ছিল
দু'ইঞ্চি কলামের খাতায়, পাতায়
পাতা ঝরে যাওয়া শোক, গাছের কাঠের ভেতরে জমে থাকে।
আমাদের শরীরেও পতন জমে, গাছের মতোন গোল গোল চক্রাকার বর্ষরেখা জমা থাকে। খুলে দেখো, কি চমৎকার মনেৎ! ছবিতে ভুল থাকে না তোমরা জানো, তারপরেও কেন সন্দেহ এতো, সূত্রাবলি নিয়ে? স্বৈরাচারী নির্দেশ-মোতাবেক এসব ঠিক আছে, সত্য আছে। ঘন গভীরে খুঁজে দেখো, পতন ও ক্রিয়ার মাঝে কোনো মিথ্যা নাই।


তার পতনের সাথে আপেক্ষিক, আমরা, তুমি, আমি, সকলে ক্রিয়াপদ হয়ে ঝুলে আছি। হয়তো? আবার এমন সন্দেহমূলক অব্যয়! আমাদের পতন সম্বন্ধে আর কেউ নিশ্চিত নয় বলে ধরে নেয়া যেতে পারে তোমরা স্থির আছো। পড়ছো না এবং তাকিয়ে তাকিয়ে জুলজুল করে তার পতন দেখছো।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই গ্যাজেটে একটি ত্রুটি ছিল