রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০০৮

সুপারভাইজার ও অনন্যার চোখ


সুপারভাইজার


সুপ্রিয় যাত্রীবৃন্দ, আপনাদের শুভেচ্ছা!
এখানে সোহাগ ভলভো সার্ভিসে আমাদের পথচলায়
আমি মোকাদ্দেস আলি, আপনাদের সাথেই আছি
এখানে আপনাদের দেয়া হবে একটি হেডফোন
সাথে কুকি-বিস্কুট এবং পানীয়
সেগুলো পেয়ে আপনারা বিগলিত হবেন
এবং ভাববেন, "এযাত্রায় খুব দাঁও মেরে দিলুম!"




অনন্যার চোখ


...ক্রমশ কীটচলনের ফলে আমার মাথার ভিতরে নাগাসাকি ঝরে পড়তে থাকে বলে আমি চোখ মেলে নির্লিপ্ত মনিটরে ফোটন খুঁজি, পিক্সেল ভেঙে ভেঙে দুইশছাপ্পান্ন রং ঢুকে পড়ে ইন্দ্রিয়পথে; সেখানে তাদের ইগলু-ঘরের পাশে রোম রোম পেতে ধূসর জর্নাল পৃষ্ঠা উন্মোচনের গাঢ়বিষাদের আয়নার ওপাশে অনন্যার চোখে ঝিলিক বুলায়। রুঝ মুছে গেলো কিনা বুঝে ওঠার জন্যে অনন্যা একবার তাকিয়েছিল পারদলেপা তলে, সেজন্যেই ফ্রেমের মাঝখানে তার গোলাপি ঠোঁট তিরতিরিয়ে গোপন কথাগুলো বলে ফেলে অকপটে। খানিকপরের বিকশিত চর্চিত লালাভ শরীর আমার মনিটর পেরিয়ে এলে আমি কপাট বন্ধ করে দিই...

২টি মন্তব্য:

এই গ্যাজেটে একটি ত্রুটি ছিল