রবিবার, ৯ মে, ২০১০

আমরা যেভাবে যতিচিহ্ন টানি


("অনায়াস সন্তর্পণে, নীরব পারদের উত্থানের মতো বেড়ে যাবে মৃত্যুহার")
নগরীর প্রান্তে দেখা দেবে উজ্জ্বল চাঁদযান যে'রাতে, সেই ক্ষণে উড়ে যাবে গোটাকয় মরাটে দুঃখ, আদিনিবাস- তোমার বুকের গহীন পাঁজর চিরে, তুমি আমার আত্মপ্রজ খুব প্রকাশ্য রোদ, আমার জনাকীর্ণ ঘর, বিকেল-পোড়া আকাশের মেঘ ও মৃদুসমীর, তুমি এই ফাঁপা চোখের ভেতরে ঘুমানো তীর, তোমার ভেতরে সকল ক্রোধ ও শূন্যতার রঙ আমার শাদা নখে লেগে আছে, তুমি যেদিন দড়িপ্রেমী, তুমি যেদিন সিলিংস্পর্শী, আকাশভেদী সুতীব্র চিৎকার, আমি সেদিন বিলীন- লীন- নীল নীল ডুমো মাছির চোখ হয়ে গেছি
যা অনুভব করছি তা মিথ্যা, অহেতুক বানানো শোক, বানোয়াট, জরুরি নয়, ভাবনাকে সত্যি হতেই হবে, এমনকি নিখাঁদ মিথ্যের মাঝেও আমি অজস্র সরলশুভ্র স্বপ্নের প্রশ্বাস শুনেছি, যেমন এই শোকের দেহ-সৌষ্ঠবে তোমাকে না জানার আক্ষেপ মিশে আছে প্রসাধনের মতো, আমাদের দূরত্ব এই গলিত শহরের মতো নিরাকার, উলম্বতলে যা মাপা হবে, কেননা তুমি বুদবুদ হয়ে গেছো অনায়াসে, সিলিং থেকে কয়েক থোকা ঝুলে থাকা ফুল হয়ে গেছো


নিঃসীম বাতাসে ফুলগুলো অল্প অল্প দুলছে

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই গ্যাজেটে একটি ত্রুটি ছিল