রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০০৮

জলের ঘর্ষণদাগ

অনতিদূর সময়ের তীর্যক রূপায়িত বিকেল
মেঘের সাথে গুন টেনে বহুক্ষণ
মিলানোর আগে সেদিন পশ্চিমে
ছোট এক দৃশ্য রেখে গ্যাছিলো।


পটভূমি ভাঙনে জড়ো হওয়া শিকলখণ্ড আর পেরেকগুলো
জীবন্ত বীক্ষণে মাতে তোলপাড়, হা হুতাশে সময় নেই!
সেদিন ঠিক জেনেছিল ফটকজুড়ে দেয়াল পাথর তুলে
জীবন! আহা ঐপারে বিস্ময়ে ডাকছিল কই?


গুচ্ছেরা জমা পড়ে করতলে, পাথর-কাদা-বালু
একে একে সরে আসে নিবিড়ে বিনয়ে জড়সুখ
কণাসদৃশ অহংকার, গ্লানিরাও সরে আসে
স্বকীয় বিম্বে দ্যাখো কতটা হাহাকার!


দ্বীপ থেকে সেতু ভেঙে দিলে কতদূরে অন্যতীর?
উন্মাদ বিধাতাও জানে তোষামোদ আর প্রায়শ্চিত্তের দাম,
অবোধ হৃদয় সেখানে তীরে পাথুরে ভিত-টুকরো
এভাবেই বুঝি জড়ো করে ক্রমাগত!


প্রস্তরে ঘর্ষণদাগ রেখে গ্যাছিলো জলকঙ্কাল
পুনরাগমন হবে না জেনে!

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই গ্যাজেটে একটি ত্রুটি ছিল