বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০০৮

আর্দ্রতাবোধক

চারপাশে ছায়া তৈরি ঘষাকাচে আলো ঢেকে
বিলম্বিত লয়ে ভেসে আসে টুকটাক ছিন্ন হাসি-চুড়ির রিনঝিন
ঘোলাটে গলায় কথা বলে দুজন, মুখ দেখি না আড়ালের ওপাশে
খটখট শব্দে বাজে মৃত আলাপ যন্ত্রের-
শীতাতপ শুষে নেয় আর্দ্রতা, সিরিঞ্জে রক্ত টেনে নেবার মতই,
অপেক্ষায় বসে থাকি, পা নাচাই, ঘড়ি দেখি
হাত চালিয়ে ঠিক করি অবিন্যস্ত চুল।
চাকুরিদাতা ডাকবে বলে চলে গেছে বাদামী দেয়ালের ওপারে
ধীরে বহে টিক টিক টিক, অপেক্ষায় শুয়ে পড়ি আস্তিনে লুকিয়ে
দীর্ঘশরীর সাপের বিষ; প্রণয়জাত।
হেঁটে বেরিয়ে পড়ি ঝাঁঝাঁলো রোদ্দুর, চূর্ণ আলোর ঝলমলে লাশ
ঝাপটা শীতাতপ ঠেলে দিলে সামনে, চাকুরিদাতার মুখ দেখি কোলাজ হয়ে ঝরে
ছায়ার প্রাসাদ বানিয়ে মাথায় রেখে দিই একটা দুপুরকে ভালবেসে
আর্দ্রতা জাপটে চুমু দেয় প্রেমিকার চেয়েও থরোথরো বাষ্পে
আস্তিনের বিষ, সাপের আদরে পেঁচিয়ে ছোটে বুকের দিকে!

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই গ্যাজেটে একটি ত্রুটি ছিল