শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০০৯

মন মরণের ইতিবৃত্ত

মন মরে যাবার প্রক্রিয়ার সাথে আমি তেমন পরিচিত ছিলাম না।
বিজ্ঞপ্তি ও বিবৃতিতে মানুষের বিদেহী আত্মার কথা শুনেছি কেবল
জেনেছি, কেউ কেউ মরে গেলে দেহ বিয়োজন ঘটে,
আর কোনো কোনো লাশের খবর থাকে না।
ঈর্ষা করেছি যারা আত্মা হয়ে গেছেন, চল্লিশ দিন
ঘুরে বেড়িয়েছেন ভরহীন অশরীরে।


দুঃখ-শোক-সন্তাপ-বিদুরিত-প্রাণে-অপ্রাণে
আর অনেক অনেক বছর পরে, বিদেহীদের পরিচয়
আমার কাছে আটপৌরে হয়ে গেলে, জানতে পেরেছিঃ
দুয়েকজন সৌভাগ্যবানের মন মারা যায়।


মৃত মনের পোস্টমর্টেম রিপোর্টটি নিয়ে তারা বিব্রত হন।
মরা মাছের চোখের মত ফ্যাকাশে বা
আঁইশের মত জ্বলজ্বলে হয়ে তাঁরা
মানসিক পার্লারের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকেন।


এই নগরে এখন মনমরণের খেলা, সারি সারি শবাধারে শূন্যতা আর তার ভেতরে বিশ্রী বিশ্রী পুড়ে যাওয়া মন রাখা আছে। হে নাগরিক, তোমরা তোমাদের সেলফোনগুলো চার্জ দাও, সেখানে অবিশ্রাম তোপধ্বনি হবে আজকের ডে-লাইট-সেইভ্‌ড সূর্য ওঠার পর!
***

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই গ্যাজেটে একটি ত্রুটি ছিল